মূসক-৯.১ অনলাইন রিটার্ন ২০২৬: Vat Return Online -এ ভ্যাট দাখিলের সম্পূর্ণ A to Z গাইড

Government Education
By -
0
মূসক-৯.১ অনলাইন: ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সম্পূর্ণ নির্দেশিকা ২০২৬

🇧🇩 মূসক-৯.১ অনলাইন: ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের A to Z নির্দেশিকা (২০২৬)

মূল্য সংযোজন কর আইন, ২০১২-এর ধারা ৪৭-এর উপ-ধারা (১) অনুযায়ী বাধ্যতামূলক দাখিলপত্র

আপনার ব্যবসার মাসিক ভ্যাট সংক্রান্ত সব তথ্য সঠিকভাবে জমা দিতে মূসক-৯.১ (Mushak 9.1) ফরম ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত মাসিক ভ্যাট রিটার্ন ফরম। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) বর্তমানে অনলাইনেই এই রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে। এই নির্দেশিকায় আমরা www.vat.gov.bd-এর মাধ্যমে কীভাবে ধাপে ধাপে মূসক-৯.১ পূরণ ও জমা দেবেন, তা বিস্তারিত আলোচনা করব।

জরুরি তথ্য: প্রত্যেক করমেয়াদ (মাস) শেষ হওয়ার পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে মূসক-৯.১ দাখিল বাধ্যতামূলক।
ভ্যাট অনলাইন পোর্টাল এ-চালান তৈরি করুন

📌 শুরু করার আগে যা লাগবে

  • ই-বিন নম্বর: আপনার ব্যবসার ৯ ডিজিটের ই-বিন নম্বর (যা নিবন্ধনের সময় দেওয়া হয়েছে)।
  • ভ্যাট অনলাইন অ্যাকাউন্ট: vat.gov.bd-এ রেজিস্ট্রেশন করা ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড।
  • মাসিক বিক্রয় ও ক্রয়ের তথ্য: নির্দিষ্ট করমেয়াদের (মাস) সব সরবরাহ (বিক্রয়) ও ক্রয়ের তালিকা ও চালানপত্র।
  • আগের মাসের সমাপনী জের: পূর্ববর্তী মাসের রিটার্নের শেষ জের (যদি থাকে)।

🧾 মূসক-৯.১ ফরমের অংশসমূহ ও পূরণের নিয়ম

নিচে ফরমের প্রতিটি অংশ (অংশ-১ থেকে ১১) এবং গুরুত্বপূর্ণ নম্বরযুক্ত ঘর (নোট) পূরণের নির্দেশিকা দেওয়া হলো। অনলাইনে দাখিলের সময় সিস্টেম অনেক তথ্য নিজেই নিয়ে আসে, তবে সঠিকতা যাচাই করা আপনার দায়িত্ব।

📁 অংশ-১: করদাতার তথ্য

  • নোট ১ বিন নম্বর: আপনার ৯ ডিজিটের ই-বিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসবে। কাগুজে ফরমে লিখতে হবে।
  • নোট ২-৩ নাম ও ঠিকানা: ই-বিন ডাটাবেজ থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসবে।
  • নোট ৪-৫ ব্যবসার প্রকৃতি ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম: উদাহরণ: প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি, উৎপাদক/আমদানিকারক ইত্যাদি।

📅 অংশ-২: দাখিলপত্র জমার তথ্য

  • নোট ১ কর মেয়াদ: যে মাসের রিটার্ন (যেমন জানুয়ারি ২০২৬) দাখিল করছেন, তা নির্বাচন করুন।
  • নোট ২ দাখিলপত্রের প্রকৃতি: তিনটি অপশন: (ক) মূল দাখিলপত্র (নিয়মিত), (খ) সংশোধিত দাখিলপত্র, (গ) পূরণ/অতিরিক্ত/বিকল্প দাখিলপত্র। সাধারণত (ক) নির্বাচন করুন।
  • নোট ৩ বিগত করমেয়াদে কোনো কার্যক্রম? যদি এই মাসে কোনো অর্থনৈতিক কার্যক্রম না থাকে, তবে "না" নির্বাচন করে শুধু অংশ-১১ (ঘোষণা) পূরণ করবেন।
  • নোট ৪ দাখিলের তারিখ: অনলাইনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসে।

📤 অংশ-৩: সরবরাহ প্রদান – প্রেয় কর (নোট ১-৯)

এই অংশে আপনার মাসের মোট বিক্রয় ও তার ওপর প্রযোজ্য ভ্যাট উল্লেখ করতে হবে। প্রতিটি ঘরের জন্য আলাদা সাবফর্মে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।

  • নোট ১ শূন্যহার নির্দিষ্ট পণ্য/সেবা: রপ্তানি ও অন্যান্য শূন্যহার সরবরাহ।
  • নোট ২ প্রচ্ছন্ন রপ্তানি: বৈদেশিক মুদ্রায় অর্জিত কিন্তু দেশীয়ভাবে সরবরাহ (যেমন রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা)।
  • নোট ৩ অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য/সেবা: ভ্যাট থেকে অব্যাহতি রয়েছে এমন পণ্য/সেবা।
  • নোট ৪ আদর্শ হারের পণ্য/সেবা: সাধারণ ১৫% হারে করযোগ্য সরবরাহ।
  • নোট ৫ খুচরা মূল্য ভিত্তিক পণ্য: সিগারেট, বিড়ি ইত্যাদি যেখানে খুচরা মূল্যের ওপর ভ্যাট।
  • নোট ৬ সুনির্দিষ্ট কর ভিত্তিক পণ্য/সেবা: নির্দিষ্ট পরিমাণ কর (যেমন তামাকজাত দ্রব্য)।
  • নোট ৭ আদর্শ হার ব্যতীত অন্যান্য হারের পণ্য/সেবা: যেমন ৫%, ১০% ইত্যাদি।
  • নোট ৮ খুচরা/পাইকারী/ব্যবসায়ী সরবরাহ: খাতায়-খাতায় বিক্রয়।
  • নোট ৯ মোট বিক্রয়মূল্য ও মোট প্রেয় কর: ৯ক = ১ক+২ক+...+৮ক; ৯খ = ৪খ+৫খ+৬খ+৭খ+৮খ; ৯গ = ৪গ+৫গ+৬গ+৭গ+৮গ।

📥 অংশ-৪: ক্রয় – উপকরণ কর (নোট ১০-২৩)

এই অংশে আপনার মাসের ক্রয়ের তথ্য দিন। এখান থেকেই আপনি ইনপুট ট্যাক্স (ক্রয়ের সময় দেওয়া ভ্যাট) রেয়াত পাবেন।

  • নোট ১০-১১ শূন্যহার নির্দিষ্ট পণ্য/সেবার স্থানীয় ক্রয় ও আমদানি।
  • নোট ১২-১৩ অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য/সেবার স্থানীয় ক্রয় ও আমদানি।
  • নোট ১৪-১৫ আদর্শ হারের পণ্য/সেবার স্থানীয় ক্রয় ও আমদানি (এগুলোই ইনপুট ট্যাক্স রেয়াতের প্রধান উৎস)।
  • নোট ১৬-১৭ আদর্শ হার ব্যতীত অন্যান্য হারের পণ্য/সেবার স্থানীয় ক্রয় ও আমদানি।
  • নোট ১৮ সুনির্দিষ্ট কর ভিত্তিক পণ্য/সেবার স্থানীয় ক্রয়।
  • নোট ১৯-২২ রেয়াতযোগ্য নয় এমন পণ্য/সেবার ক্রয় (বিবিধ কারণে)।
  • নোট ২৩ মোট উপকরণ করমূল্য ও রেয়াত: ২৩ক = ১০ক+১১ক+...+২২ক; ২৩খ = ১৪খ+১৫খ+১৬খ+১৭খ+১৮খ।

⚠️ মনে রাখবেন: আপনি যদি শুধু অব্যাহতিপ্রাপ্ত/সুনির্দিষ্ট কর/আদর্শ হার ব্যতীত পণ্য সরবরাহ করেন, তবে আপনাকে নোট ২১ ও ২২-এ তথ্য দিতে হবে, এবং নোট ১০-২০ ফাঁকা রাখতে পারেন।

🔄 অংশ-৫ ও ৬: বৃদ্ধিকারী ও হ্রাসকারী সমন্বয়

এই অংশগুলি পূর্ববর্তী মাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যের জন্য।

  • নোট ২৪ সরবরাহ গ্রহীতা কর্তৃক উৎস কর্তন: আপনি যদি সরকারি সংস্থা ইত্যাদি হন, যারা সরবরাহকারীর টাকা থেকে উৎসে কর কেটে রাখেন।
  • নোট ২৫ ব্যাংকিং চ্যানেলে মূল্য পরিশোধ না করা সরবরাহ (নগদ ১ লক্ষের বেশি) – এর ক্ষেত্রে রেয়াত সংশোধন।
  • নোট ২৬ ডেবিট নোট ইস্যুর জন্য সমন্বয় (বিক্রয় মূল্য বেড়ে গেলে)।
  • নোট ২৭ অন্যান্য বৃদ্ধিকারী ঘটনা (বিবরণসহ)।
  • নোট ২৮ মোট বৃদ্ধিকারী সমন্বয় (২৪+২৫+২৬+২৭)।
  • নোট ২৯ প্রদত্ত সরবরাহ হইতে উৎস কর্তন (আপনার বিক্রয় থেকে কেটে রাখা হলে)।
  • নোট ৩০ আমদানি পর্যায়ে আগাম কর (আমদানি শুল্ক স্টেশনে দেওয়া ভ্যাট)।
  • নোট ৩১ রপ্তানি পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামালের বিপরীতে প্রেয় কর।
  • নোট ৩২ ক্রেডিট নোট ইস্যুর জন্য সমন্বয়।
  • নোট ৩৩ অন্যান্য হ্রাসকারী ঘটনা।
  • নোট ৩৪ মোট হ্রাসকারী সমন্বয় (২৯+৩০+৩১+৩২+৩৩)।

🧮 অংশ-৭: নীট কর হিসাব (নোট ৩৫-৫১)

এখানে মূল হিসাব হবে। সিস্টেম নিচের সূত্রে হিসাব করবে।

  • ৩৫ = ৯গ - ২৩খ + ২৮ - ৩৪ (সমাপনী জের ব্যতীত প্রেয় মুসক)
  • ৩৬ = ৩৫ - ৫০ (সমাপনী জের সমন্বয়ের পর প্রেয় মুসক)
  • ৩৭ = ৩৮ + ৩৯ - ৪০ - ৪১ (সম্পূরক শুদ্ধের অনুরূপ)
  • ৩৮ = ৩৭ - ৫১
  • ৩৯-৪১ ডেবিট/ক্রেডিট নোট ও রপ্তানি সংক্রান্ত সম্পূরক শুদ্ধ সমন্বয়।
  • ৪২-৪৯ সুদ, অর্থদণ্ড, আবগারি শুল্ক, সারচার্জ ইত্যাদি (যদি প্রযোজ্য হয়)।
  • ৫০ পূর্ববর্তী করমেয়াদের সমাপনী জের (ভ্যাট)।
  • ৫১ পূর্ববর্তী করমেয়াদের সমাপনী জের (সম্পূরক শুল্ক)।

💳 অংশ-৮: কর পরিশোধের তফসিল (নোট ৫২-৬১)

এই মাসে আপনি আসলে কত টাকা জমা দিয়েছেন (এ-চালানের মাধ্যমে) তার বিবরণ দিন। প্রতিটি চালানের জন্য আলাদা লাইন।

  • ৫২ বর্তমান করমেয়াদে পরিশোধিত মোট মুসক (ভ্যাট)।
  • ৫৩ পরিশোধিত মোট সম্পূরক শুল্ক।
  • ৫৪-৬১ সুদ, জরিমানা, সারচার্জ ইত্যাদি পরিশোধের তথ্য (যদি থাকে)।

📌 এখানে অপারেশনাল কোড প্রয়োজন হবে – আপনার কমিশনারেটের কোড (যেমন ঢাকা উত্তর: ০০১, ঢাকা দক্ষিণ: ০১০ ইত্যাদি)।

🔚 অংশ-৯: সমাপনী জের (নোট ৬২-৬৩)

  • ৬২ সমাপনী জের (মূল্য সংযোজন কর) = ৫২ - ৩৬
  • ৬৩ সমাপনী জের (সম্পূরক শুল্ক) = ৫৩ - ৩৮

এই জের পরবর্তী মাসের শুরুতে প্রারম্ভিক জের হিসেবে চলে যাবে।

✅ অংশ-১০ ও ১১: ফেরত ও ঘোষণা

  • অংশ-১০ আপনি যদি সমাপনী জেরের টাকা ফেরত (রিফান্ড) পেতে চান, তবে “হ্যাঁ” নির্বাচন করুন।
  • অংশ-১১ ঘোষণা: তথ্য সঠিক বলে ঘোষণা করে নাম, পদবি, তারিখ, মোবাইল ও ইমেইল দিয়ে স্বাক্ষর করুন। অনলাইনে ডিজিটাল স্বাক্ষর বা পিন দিয়ে নিশ্চিত করতে হবে।

📎 সাবফর্ম (বিবরণী) সম্পর্কে

মূসক-৯.১-এর প্রতিটি নোটের জন্য বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে সাবফর্মে। যেমন:

  • সাবফর্ম-ক: নোট ১,২,৩,৪,৫,৭,১০,১১,১২,১৩,১৪,১৫,১৬,১৭,১৯,২০,২১,২২-এর জন্য (পণ্য/সেবার বিবরণ, এইচএস কোড, মূল্য, ভ্যাট)।
  • সাবফর্ম-খ: নোট ৮-এর জন্য (খুচরা/পাইকারী সরবরাহের বিবরণ)।
  • সাবফর্ম-গ: নোট ৬ ও ১৮-এর জন্য (সুনির্দিষ্ট কর)।
  • সাবফর্ম-৪ (নোট ২১): সরকারি সত্তা কর্তৃক উৎস কর্তনের জন্য।
  • সাবফর্ম-৫ (নোট ৩০): আমদানি পর্যায়ে আগাম করের জন্য।
  • সাবফর্ম-৬ (নোট ৫২-৬১): কর পরিশোধের চালান বিবরণ।

🖥️ অনলাইনে মূসক-৯.১ দাখিলের ধাপ

  1. vat.gov.bd-এ লগইন করুন আপনার ই-বিন ও পাসওয়ার্ড দিয়ে।
  2. “রিটার্ন দাখিল” অপশনে ক্লিক করুন এবং কর মেয়াদ নির্বাচন করুন।
  3. ফরমের প্রতিটি অংশ (অংশ-১ থেকে ১১) ক্রমান্বয়ে পূরণ করুন। প্রতিটি নোটের জন্য প্রয়োজনীয় সাবফর্মে বিস্তারিত তথ্য দিন।
  4. সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ হয়েছে কিনা যাচাই করুন। সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ৩৫, ৩৬, ৬২, ৬৩ নম্বর ঘরের হিসাব করে দেবে।
  5. “ঘোষণা” অংশে টিক দিয়ে পিন বা ডিজিটাল স্বাক্ষর দিন।
  6. “দাখিল করুন” বাটনে ক্লিক করুন। একটি স্বীকৃতি (Acknowledgement) ডাউনলোড করে রাখুন।

📌 মনে রাখবেন:

  • প্রতিটি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে পূর্ববর্তী মাসের রিটার্ন জমা দিতে হবে।
  • রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে অথবা একই সময়ে মূসক-৬.১০ (চালানপত্রের তালিকা) জমা দিতে হবে।
  • অনলাইন সুবিধা না থাকলে নিকটস্থ ভ্যাট অনলাইন সার্ভিস সেন্টার থেকে সাহায্য নিন।
  • হেল্পলাইন: ১৬৫৫৫ (ভ্যাট কল সেন্টার)।

❓ প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন: কোনো মাসে কোনো বিক্রয় না থাকলে কি রিটার্ন দাখিল করতে হবে?

উত্তর: হ্যাঁ, যদি আপনার কোনো অর্থনৈতিক কার্যক্রম না থাকে, তবে অংশ-২-এর নোট ৩-এ "না" নির্বাচন করে শুধু অংশ-১১ (ঘোষণা) পূরণ করে নাল রিটার্ন দাখিল করতে হবে। না দিলে জরিমানা হতে পারে।

প্রশ্ন: ভুল রিটার্ন দাখিল করলে কী করব?

উত্তর: সংশোধিত রিটার্ন (নোট ২-এর ক্ষেত্রে "সংশোধিত দাখিলপত্র" নির্বাচন করে) আবার দাখিল করতে পারেন। তবে সময়মতো তা করতে হবে।

প্রশ্ন: ইনপুট ট্যাক্স রেয়াত (ক্রয়ের ভ্যাট ফেরত) কখন পাব?

উত্তর: অংশ-৪-এর তথ্যের ভিত্তিতে অংশ-৭-এ স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেয়াত হিসাব হবে। আপনি যদি রেয়াতযোগ্য টাকা ফেরত পেতে চান, অংশ-১০-এ "হ্যাঁ" নির্বাচন করুন। পরে NBR যাচাই-বাছাই করে টাকা ফেরত দেবে।

প্রশ্ন: কাগুজে ফরম কোথায় পাব?

উত্তর: যেকোনো কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট অফিস থেকে নিতে পারেন। তবে অনলাইন দাখিলই বাধ্যতামূলক ও সহজ।

📌 শেষকথা

মূসক-৯.১ ফরম পূরণ প্রথমবার জটিল মনে হলেও নিয়মিত চর্চায় এটি সহজ হয়ে যায়। সরকারি নির্দেশিকা (যা আপনার দেওয়া পিডিএফ-এ আছে) ভালোভাবে পড়ে এবং উপরোক্ত ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনি নির্ভুলভাবে অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। মনে রাখবেন, সঠিক ও সময়মতো রিটার্ন দাখিল আপনার ব্যবসার সুনাম ও আইনি ঝুঁকি এড়ানোর জন্য অপরিহার্য।

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন এবং ভ্যাট সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্ন কমেন্টে জানান।

🖥️ অফিসিয়াল সাইট: vat.gov.bd | হেল্পলাইন: ১৬৫৫৫
সর্বশেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০২৬। তথ্য যাচাই করে ব্যবহৃত।

Post a Comment

0Comments

Post a Comment (0)